আজ একটু অবসরে মন চাইছে কিছু লিখি
কিছু চাওয়া সর্বদা থেকে যায় মনে
গতানুগতিকতার বাইরে প্রতিদিন রাত্রে , ভোরে, বা অপরাহ্ণে,
বৃন্ত থেকে খসে পড়া যেন একেক টি আধ ফোটা ফুল!
সযত্নে তুলে রাখি যাদের নিজের হাতে
মাঝে মাঝে তারা প্রশ্ন করে, ব্যঙ্গ করে, হাসে--জানতে চায় আর কতদিন?
বোঝাতে পারি না সেই কোমল
কুঁড়ি গুলোকে,
সকলের চোখের আড়ালে কেন যে রেখেছি তাদের!
এখনো সময় আসেনি---
কোথায় জল, কোথায় বা সে পাত্র?
এখনো পাইনি খুঁজে
তারচেয়ে এইতো বেশ আছি আমি শুধু জানি আমার সাজি ভরা ফুল আছে
সময় আসলে গাঁথবো মালা,
পরিয়ে দেব তাকেই যে ফুল ভালোবাসে।
মাননীয়াসু---এক অধ্যায়ের সূচনা,
সময়টা ছিল আষাঢ়ের কোন দিন কিংবা রাত
জানিনা কি ভেবে কাগজ-কলম নিয়ে এঁকেছিলে নিজের এক দুর্বোধ্য ছবি
এটা তোমার এক অভিনব বিলাস ,এভাবে সত্যকে গোপন করে কিছু অপরিচিতার মন নিয়ে খেলা আর তোমার ইচ্ছে মত উলুক সুলুক বৃষ্টিতে ভেজা এবারের খেলায় ছিল অনেক বেশি শিহরণ আর চমক ! শুরু হলো এক মাননীয়ার
অস্ত্রপ্রচার। তোমার অভিজ্ঞ হাতে চলল একের পর এক পরীক্ষা-নিরীক্ষা।
লোক চক্ষুর অন্তরালে অন্ধকার ঘরে
মাননীয়ার অতীত-বর্তমান-ভবিষ্যৎ এসে দাঁড়াল এক স্থির বিন্দুতে। কোন লোমহর্ষক কাহিনীর নায়িকা তোমার দৃষ্টিতে তখন অপরূপা !
বিকেলের মায়াবী আলোয় মনের আয়নায় মাননীয়া তখন শিশিরভেজা এক ষোড়শী।
কেটে গেল এইভাবে বেশ কিছুদিন ,
মাস ,একটা বছর,
হায়রে অদৃষ্ট! তোমার অংকে একটু ভুল ছিল, মাননীয়ার বুঝে নিতে দেরি হয়নি
মাননীয়াসুর অবতারণা কিসের তাড়নায়!
মোহ মুক্ত তুমি যখন দাঁড়ালে নিজের সামনে
মাননীয়াও তখন মুখোমুখি এক চিরন্তন প্রশ্নের
সৃষ্টির আদি থেকে নারী কি শুধু ভোগ্যা???
অংকে মাননীয়ার ও
কোথাও ভুল ছিল হয়তো
মাননীয়াসু বলেছিল এক প্রতি সাধারণ ছেলে
মাননীয়ার অবমাননা যেখানে কোন দোষের নয় ,কোনো পাপ নয়
সাধারণ ছেলে তার ধর্ম পালন করেছে।
এবারের জন্মদিন নয় শুধু আনন্দের
সৃষ্টি করেছে এক গভীর অন্তর্দ্বন্দ্বের।
বয়সের গতি যত দ্রুত,
কাজ হল কি আসলে তত ?
সেই হিসেবের খাতা খুলে আজ মহাশক্তির পদমূলে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করো এখন
সঙ্গী হোক তোমার নির্ভীক নির্ভীক অমলিন মন।
আমার জন্মদিনে অপূর্ব রেখাটি তোমার
মনে হল যেন কোন বীণার ঝংকার
শুধু যে লেগেছে ভালো তা নয় ভাবছি এমনও কি হয় ? সেই যে
Worthless non performer আজ দেখি হয়ে গেছে allrounder!
তাই বলছি শোনো আরো কটা দিন যাক
দাওনা সবাইকে লাগিয়ে তাক লজ্জায় মুখ লুকোবে তারা তোমায় চিনতে পারিনি যারা আমিও জবাব দেবো সেদিন সত্যিকারের রাজা হয়ে ফিরবে যেদিন।
জানতে চেয়েছো আমি কেমন আছি
শরীরে প্রাণ আছে, স্পন্দন নেই
কারণ তুমি মনে আছো সামনে নেই
আকাশ ভরা তারা আছে ,
তারায় জিলিক নেই।
সামনের বাগানটায় একরাশ ফুল ফোটে, ফুলে গন্ধ নেই
রোজ রাত শেষে ভোর হয় ভোরের আলোয় কোন আশা নেই।
এবারেও বসন্তের কোকিল ডেকেছে ,বড় বেসুরো লেগেছে কানে, সেই চেনা সুর নেই।
পথে-ঘাটে কত চেনা মুখ চোখে পড়ে, কারো মুখে হাসি নেই দিনের শেষে ঘরে একলা বসে স্মৃতিচারণে কোন পুলক নেই। কিছু লুকানো ব্যথা শুধু কান্না হয়ে ঝরে পড়ে
সান্তনার কোনো ভাষা নেই
আমার সুখে আনন্দে যারা সর্বদা পাশে ছিল,
আজ দুঃখে যন্ত্রণায় তারা কেউ নেই।
মাঝে মাঝে ঝর্ণাধারার মতো সুখ আছে কিন্তু এতোটুকু শান্তি নেই,
তুমি তো আমায় ভালোবাসো!
তুমি নিশ্চয়ই বুঝবে আমি শুধু বেঁচে আছি, আমি ভালো নেই।
জন্মদিন ---জীবনের সেই বিশেষ একটি দিন
নিজেকে নতুন করে চেনা, জানা, দেখা
রোমাঞ্চকর অনুভূতির মাঝে
এক বিস্ময়কর ভীতি
আমরা সবাই একা।
নিজেকে আর কোনো প্রশ্ন নয়
হয়তো এমনই হয়
এরই নাম জীবন যার অর্থ
যার অর্থ খুঁজে পাওয়া কঠিন কিন্তু অসাধ্য নয়
তাই হঠাৎ মনে হল অদূরদর্শী কাপুরুষ কোন দেবদূত কেমন করে অন্ধকারে পথ দেখাবে আমায় ?
হয়তো কখনো দিশাহারা ছিলাম ভোরের আলোয়
দিব্যজ্ঞান লাভ হল রাতের গভীরে
আমি নিজে শুনেছি আমার বিজয়ের অট্টহাসি, বড় করুন সেই মুহূর্ত, যখন আমাকেই বলতে হবে দেবদূত ফিরে যাও দেবলোকে---পৃথিবীর মাটির স্পর্শে আমি ধন্য এখানে সব
হারিয়েও আমি অপরাজিতা!
জীবনের কিছু সুখ অনুভুতি
যদি না প্রকাশ পায় তাতে কি বা ক্ষতি
তবু তো থাকবে তারা কোনো গোপন অন্তঃপুরে
প্রকাশ করব তাদের রাতের গভীরে
দিনের দিনের আলোয় তারা যদি না পায় স্থান
থাক না অন্ধকারে রহস্যময়ী হয়ে
সেইতো স্বর্গীয় প্রেম , সেই চির অম্লান।
যদি বলতে ভালোবাসি হতে না ছোট ,হারালে তুমি অনেক বেশি তুমি যদি বল হার না মানা তোমার নিয়ম আমি বলব এবার সত্যিই হেরেছ হয়েছে ব্যতিক্রম ।
শুধু মনের মধ্যে রেখেছিলাম কিছু কথা ,যা ছিল একান্ত আমার আমার একটা গানও আছে যেটা আমি রোজ শুনি রোজ গাই ,একদিন তোমার চিঠির মধ্যে বেজে উঠলো সেই চেনা সুর ,আর গেল না নিজেকে লুকিয়ে রাখা প্রলয় যখন থেমে গেল দেখলাম আমি আর আমি নেই তুমি হয়ে গেছি ,তোমার চিঠির জবাব দিতে গিয়ে দেখি মনের সব কথা গুলো কি অপরূপ সাজে সেজেছে চেনাই যায়না ,অনেক ভেবে এদের একটা নাম দিলাম "কবিতা" সত্যিই আমার প্রথম কবিতা যা শুধু তোমাকেই লেখা যায়।